ঢাকা, ২০ জুলাই, ২০১৯ || ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
৭০৯

একজন পর্যটকের জন্য ১১টি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়

এভিয়েশন করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০১৬   আপডেট: ২ মে ২০১৬


প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য চার জায়গায় সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে বিমানমন্ত্রী বলেন, “এটা শেষ হলেই বলতে পারব কবে কাজ শুরু হবে।”

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে শুক্রবার ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ এ মন্ত্রী একথা বলেন। 

পর্যটনের বিকাশে সরকার গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “একজন পর্যটকের জন্য ১১টি কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়। আমরা মাঝারি গোছের টুরিস্টদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছি।”

বর্তমানে যত পর্যটক বাংলাদেশে আসছেন ২০১৭ সালের মধ্যে সেই সংখ্যা ১৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।

“শুধু বিনোদনের জন্য নয়, রিলিজিয়াস ট্যুরিজম, হালাল ট্যুরিজম, কালচারাল ট্যুরিজম, ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম হচ্ছে।”

পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশে ৬৬৯ জন জনবল নিয়োগের কথা জানিয়ে মেনন বলেন, দেশের ৯৫ শতাংশই অ্ভ্যন্তরীণ পর্যটন।

বিমান দেশের সাতটি অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বেশ কিছু বেসরকারি এয়ারলাইন্সও দেশের ভেতরে-বাইরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

মেনন বলেন, “বিমানকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতেই একে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি করা হয়েছে। বিমানে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আছে বলে আমি মনে করি না।”

ডিআরইউ সভাপতি জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ ছাড়াও সংগঠনের অন্য কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।