ঢাকা, ২০ জুলাই, ২০১৯ || ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
১২১৫

কার্গো প্লেনের অস্ট্রেলিয়ায় যাতায়াত শিথিল

এভিয়েশন করেসপন্ডেন্ট

প্রকাশিত: ৯ মে ২০১৬   আপডেট: ১১ মে ২০১৬


ঢাকা: প্রায় সাড়ে ৪ মাস নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার পর তা শিথিল করল অস্ট্রেলিয়া সরকার। ঢাকা থেকে কার্গো উড়োজাহাজ তৃতীয় কোনো দেশের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে পারবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। সোমবার (০৯ মে) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। 

মেনন বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ থেকে আকাশ পথে কার্গো চলাচলের ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, সম্প্রতি হয়রত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দরের কার্গো নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নতির ফলে দেশটির সরকার তা শিথিল করেছে। এর ফলে ঢাকা থেকে এখন কার্গো উড়োজাহাজ তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে পারবে।’

এর আগে গত ০৫ মে ঢাকাস্থ অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানান পর্যটনমন্ত্রী।

ব্রিটেন-বাংলাদেশ সরাসরি কবে থেকে কার্গো বিমান চলাচল করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এটা নির্ভর করছে এসিসিথ্রি-এর (এয়ার ক্যারিয়ার ক্যারিং কার্গো অর মেইল ফ্রোম থার্ড কান্ট্রি এয়ারপোর্ট) উপর। বাংলাদেশ এ মর্যাদা লাভ করলে কার্গো সরাসরি লন্ডনে যাবে।’

এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসের শুরুর দিকে নিরাপত্তা ঘাটতির কারণ দেখিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি কার্গো বিমান (পণ্যবাহী উড়োজাহাজ) চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাজ্য। একই কারণে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পণ্যবাহী কার্গো বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য, মিশরের আকাশে বোমা বিস্ফোরণে রাশিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমান ধ্বংসের পর বিশ্বের ২০ দেশের ৩৮ বিমানবন্দরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও অষ্ট্রেলিয়া। সে তালিকায় ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও রয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রায় ৬০ শতাংশই যায় ইউরোপীয় ইউনিয়ভুক্ত দেশগুলোতে। তাই ইইউর নিষেধাজ্ঞায় কঠিন সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য। বাংলাদেশ বিমানসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৬শ’ টন মালামাল পরিবহন করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর